সংস্করণ: ২.০১

স্বত্ত্ব ২০১৪ - ২০১৭ কালার টকিঙ লিমিটেড

3984-key-ingredients-sweet-almond-oil.jpg

উপকারী টিপস ত্বকের যত্নে আমন্ড তেলের নানা ব্যবহার

আমন্ড তেলের প্রাকৃতিক ব্যাকটেরিয়ারোধী ক্ষমতা ব্যাকটেরিয়াজনিত ক্ষত ছড়ানো প্রতিরোধে সাহায্য করে যেগুলোর কারণে ব্রণ ও অন্যান্য ক্ষত বা প্রদাহ হয়ে থাকে।

ত্বকের সৌন্দর্য ও সুরক্ষায় আমন্ড তেলের উপকারিতা অনস্বীকার্য। বিগত কয়েক শতাব্দী ধরে বিভিন্ন প্রাচীন ঔষধি রূপে আমন্ড তেল উপকারী প্রমাণিত হয়েছে। বিভিন্ন সৌন্দর্য ও প্রসাধন সামগ্রীতে এটি প্রধান বাহক তেল হিসেবেও ব্যবহৃত হয়ে আসছে। 
আমন্ড তেলের উপকারিতাঃ
  • আমন্ড তেল এর পিচ্ছিলকারী গুণের জন্য শুষ্ক ত্বকধারীদের জন্য অত্যন্ত উপকারী, কারণ এই তেল ত্বকে দ্রুত শোষিত হয়ে শুষ্ক ও ফাটা ত্বককে সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে। ত্বকের এ্যালার্জি ও জ্বলুনিতে এটা শীতলীকারক হিসেবে কাজ করে। এটা শক্ত ত্বক বিশেষ করে কনুই, হাঁটু এবং গোড়ালীর চামড়া নরম করে।
  • আমন্ড তেল রাতে ব্যবহার করাই সবচেয়ে ভাল। একদিন অন্তর একদিন কিংবা সপ্তাহে দু’দিন মুখ ও ঘাড় ভালভাবে পরিষ্কার করে এই তেল ব্যবহার করলে তা সহজে বলিরেখা পড়তে দেয়না। আমন্ড তেলের প্রাকৃতিক ব্যাকটেরিয়ারোধী ক্ষমতা ব্যাকটেরিয়াজনিত ক্ষত ছড়ানো প্রতিরোধে সাহায্য করে যেগুলোর কারণে ব্রণ ও অন্যান্য ক্ষত বা প্রদাহ হয়ে থাকে। আমন্ড তেল ত্বকের রোদেপোড়াভাবও সারিয়ে তোলে।
  • আমন্ড তেল ভাল প্রলেপ হিসেবে কাজ করে। স্পা তেল হিসেবে এটি খুবই জনপ্রিয়, কারণ এটি বেশি আঠালো বা কড়া গন্ধযুক্ত নয়। ত্বক উজ্জ্বল করার ক্ষেত্রেই এটি বেশী ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এর নিয়মিত ব্যবহার ত্বককে পরিষ্কার এবং নরম ও মসৃণ করে। এর ব্যবহার ত্বকের পিএইচ(ph) এর ভারসাম্য বজায় রাখে এবং আর্দ্রতা সংরক্ষণ করে ত্বকে উজ্জ্বল আভা এনে দেয়।
  • আমন্ড তেল সরাসরি বা কোন উপাদানের সাথে মিশিয়ে ত্বকে লাগানো যায়। আমন্ড তেলের সাথে লেবুর রস মিশিয়ে লাগালে তা শুষ্ক, চুলকানিযুক্ত ত্বক এবং ব্রণের সমস্যা সমাধানে কাজ করে।
  • চোখের নিচে প্রতি রাতে আমন্ড তেলের হালকা মালিশ চোখের নিচের অংশের ত্বককে উজ্জ্বল করে। এই মালিশ রক্ত সঞ্চালন বাড়াতেও সাহায্য করে যা পরবর্তীতে চোখের নিচের এবং চারপাশের ত্বককে আর্দ্র রাখে। আমন্ড তেলের সাথে সামান্য পরিমাণ মধু মিশিয়ে চোখের চারপাশের কালো বৃত্তাকার অঞ্চলে মালিশ করলে তা শুধু চোখের নিচের ফোলাভাবই কমায় না, বরং চোখের চারপাশের কালো দাগ কমিয়ে সেই জায়গাকে আরো উজ্জ্বল করে তোলে।
লক্ষণীয়
  • মিষ্টি আমন্ড তেল ত্বকের জন্য নিরাপদ। যেসব আমন্ড তেল তেতো আমন্ড থেকে সংগ্রহ করা হয় ‍সেগুলো বিষাক্ত প্রকৃতির হয়ে থাকে এবং ত্বকের যত্নেও অনুপযোগী। তাই ব্যবহারের পূর্বে এ ব্যাপারে নিশ্চিত হয়ে নিন।
  • যাদের বাদাম বা আমন্ড এবং সেগুলো থেকে নির্যাসকৃত তেলে এ্যালার্জি আছে, তাদের জন্য আমন্ড তেল অনুপযোগী।
  • আমন্ড তেল বিস্বাদ হয়ে যাওয়া রোধ করতে এর বোতলটিকে ঠাণ্ডা ও অন্ধকার স্হানে এবং বোতলের মুখ খোলার পর সূর্যের আলো থেকে দূরে রাখুন।
  • আমন্ড তেলের দাগ কাপড়ে লাগলে সহজে ওঠেনা। তাই এ ব্যাপারে সতর্ক থাকুন।
আমন্ড এবং আমন্ড তেল বর্তমানে অনেক সহজলভ্য। আমন্ড তেলের গুণমান নির্ভর করে আমন্ডের মান এবং নির্যাস পদ্ধতির উপর। তাই সেরাটি পেতে ত্বকের যত্নে সবসময় ভাল মানের মিষ্টি আমন্ড তেল কিনুন ও ব্যবহার করুন।
ছবি ও তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট

এখানে প্রকাশিত প্রতিটি লেখার স্বত্ত্ব ও দায় লেখক কর্তৃক সংরক্ষিত। আমাদের সম্পাদনা পরিষদ প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে এখানে যেন নির্ভুল, মৌলিক এবং গ্রহণযোগ্য বিষয়াদি প্রকাশিত হয়। তারপরও সার্বিক চর্চার উন্নয়নে আপনাদের সহযোগীতা একান্ত কাম্য। যদি কোনো নকল লেখা দেখে থাকেন অথবা কোনো বিষয় আপনার কাছে অগ্রহণযোগ্য মনে হয়ে থাকে, অনুগ্রহ করে আমাদের কাছে বিস্তারিত লিখুন।

আমন্ড-তেল, এলার্জি, বলিরেখা-দূর-করা, ত্বকে-উজ্জ্বলতা