সংস্করণ: ২.০১

স্বত্ত্ব ২০১৪ - ২০১৭ কালার টকিঙ লিমিটেড

shuchitra-sen-makeover.jpg

সাজসজ্জার একাল সেকাল

একটা সময় ছিল যখন মানুষের মধ্যে সাজগোজ করার প্রবণতা খুবই কম ছিল। বাইরের জগত, টেলিভিশন, ইন্টারনেট, স্যাটেলাইট এগুলোর প্রভাব ছিলনা বললেই চলে। তখনকার সময় তারা যেন একটুখানি ভালোলাগার কারণেই সাজতো।

যুগে যুগে মানুষ কম বেশী সাজগোজ নিয়ে ভেবে আসছে। আর এই ভাবনার কারণেই সময় ভেদে আমরা এর পরিবর্তনও লক্ষ্য করি। বিভিন্ন কারণে মানুষের রুচি, চিন্তা ও চেতনায় পার্থক্য আসে এবং এই পার্থক্যই এক যুগ থেকে আর এক যুগকে বা এক স্টাইল থেকে আর এক স্টাইল কে আলাদা করে দেয়। পোশাক-আশাক থেকে শুরু করে হাটা-চলা, চুল বাধা, কথা বলার ভঙ্গি পর্যন্ত বদলে যায়।

আমাদের দেশের প্রক্ষাপটে আমরা যদি একটু পেছনে তাকাই, কেমন ছিল তখনকার সাজসজ্জা? একটা সময় ছিল যখন মানুষের মধ্যে সাজগোজ করার প্রবণতা খুবই কম ছিল। বিশেষ করে আমাদের দেশের মেয়েরা তখন বলতে গেলে ঘরমুখিই ছিলো। বাইরের জগত, টেলিভিশন, ইন্টারনেট, স্যাটেলাইট-এগুলোর প্রভাব ছিলনা বললেই চলে। তখনকার সময় তারা যেন একটুখানি ভালোলাগার কারণেই সাজতো।

মেয়েদের সাজের মধ্যে ছিল সরলতা, মুখে ভারী মেকআপ এর বালাই ছিলনা। চোখে কাজল আর কপালে টিপ পরার বেশ প্রবণতা ছিল বলা যায়। বড় চুলের চল লক্ষনীয় যার কারণে চুলের বেনি বা ফুলসহ খোপাই ছিল সাজের অংশ। আর ছেলেদের সাজও ছিল খুবই সাধারণ। চুলের বেলায় হয়তো ছোট বড় রাখার প্রবণতা ছিল... এটুকুই।

আগেরদিনের পোশাক-আশাকের দিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পাই যে, মেয়েদের বেলায় শাড়ি ও সালওয়ার কামিজ আর ছেলেদের বেলায় পান্ট-শার্টই ব্যবহৃত হত। এছাড়া অন্যান্য আনুসঙ্গিক জিনিস যেমন ব্যাগ, সেন্ডেল এসবের বেলাতেও খুব জাকজমক কিছু ছিলনা। আর চলা-ফেরা বা কথা বলার ধরনেও ছিল তখন এক ধরনের স্থিরতা।

আজ এখানেই শেষ করছি, তবে আবারও আসবো এ বিষয়ে আরও কিছু কথা নিয়ে... চোখ রাখুন...
এখানে প্রকাশিত প্রতিটি লেখার স্বত্ত্ব ও দায় লেখক কর্তৃক সংরক্ষিত। আমাদের সম্পাদনা পরিষদ প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে এখানে যেন নির্ভুল, মৌলিক এবং গ্রহণযোগ্য বিষয়াদি প্রকাশিত হয়। তারপরও সার্বিক চর্চার উন্নয়নে আপনাদের সহযোগীতা একান্ত কাম্য। যদি কোনো নকল লেখা দেখে থাকেন অথবা কোনো বিষয় আপনার কাছে অগ্রহণযোগ্য মনে হয়ে থাকে, অনুগ্রহ করে আমাদের কাছে বিস্তারিত লিখুন।

changing, taste, talking, hairstyle, dress-up, fashion, style